মডিউল ৫ প্রতিবেদন – সভাপতির বিবৃতি

আজ আমি আমার পঞ্চম প্রতিবেদনটি প্রকাশ করছি, যেখানে কোভিড-১৯ মহামারির মোকাবিলায় পিপিই, ভেন্টিলেটর এবং পরীক্ষার সরঞ্জাম সংগ্রহ ও বিতরণের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য কীভাবে সাড়া দিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের একটি মধ্যবর্তী পর্যায়কে চিহ্নিত করে – এই প্রক্রিয়াটি আমি আগামী বছরের এই সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার ইচ্ছা রাখি।

যখন কোভিড-১৯ মহামারী আঘাত হানল, তখন বিশ্ব অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জাম ও সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য এক মরিয়া প্রতিযোগিতায় নেমেছিল। সরকারগুলো যদি প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও সরবরাহ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হতো, তাহলে স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা কর্মীসহ মূল কর্মীরা যথাযথভাবে সুরক্ষিত থাকতে পারতেন না; তাদের নিজেদের জীবন এবং যাদের তারা সেবা করতেন তাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ত। এই সংকটকালে যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন সরকার এক তীব্র প্রতিযোগিতায় লিপ্ত ছিল। আন্তর্জাতিক চাহিদা আকাশচুম্বী হয়ে ওঠে, দাম অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা প্রচণ্ড চাপের মুখে ভেঙে পড়ে। একই সময়ে, যুক্তরাজ্যের কাছে থাকা পিপিই এবং অন্যান্য সরঞ্জামের জরুরি মজুত চাহিদার এই বিশাল বৃদ্ধি মেটাতে অপর্যাপ্ত ছিল। 

সরঞ্জাম ও সরবরাহ সংগ্রহের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় যুক্তরাজ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। জরুরি সংগ্রহ ও বিতরণ কার্যক্রম দ্রুত বৃদ্ধি করার জন্য অপর্যাপ্ত ও অপরীক্ষিত পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাজ্য মহামারিতে প্রবেশ করে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো অপ্রস্তুত অবস্থায় ধরা পড়ে।

এই মৌলিক প্রস্তুতির অভাবের মুখে মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। কয়েক দিনের মধ্যেই অপ্রচলিত জরুরি সংগ্রহ ও বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হয়েছিল।

এই প্রেক্ষাপটে, নীতি নির্ধারকদের একটি কঠিন পছন্দের মুখোমুখি হতে হয়েছিল: মহামারীর চাহিদা অনুযায়ী গতি ও পরিমাণে সরঞ্জাম কেনার জন্য বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ঝুঁকিতে ফেলা, অথবা প্রক্রিয়াটি ধীর করে দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগীদের কাছে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি নেওয়া। 

তারা ঝুঁকি নিয়ে কেনার সিদ্ধান্ত নিলেন। জরুরি অবস্থার ব্যাপকতা বিবেচনায় এটিই ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত। এর অন্যথা করলে স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা খাতের সম্মুখসারিতে কর্মরত ব্যক্তিরা এবং বৃহত্তর জনসাধারণ এক অগ্রহণযোগ্য বিপদের সম্মুখীন হতেন।

তবে, আরও ভালো পরিকল্পনা থাকলে পছন্দটি এতটা কঠিন হতো না এবং ঝুঁকি নিয়ে কেনার সিদ্ধান্তটিও যথেষ্ট ব্যয় ও ব্যাপক অপচয় ছাড়া ছিল না। 

জরুরি অবস্থা মোকাবেলার চাপে ভুলত্রুটি সংঘটিত হয়েছিল, যার ফলে সরকারি অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির অভিযোগও ওঠে। 

তাছাড়া, কোভিড-১৯ মহামারীর মোকাবেলায় যে কাঠামোগুলো স্থাপন করা হয়েছিল, সেগুলোতে সংগ্রহ ও বিতরণের পর্যাপ্ত সমন্বয় করা হয়নি। এর সমাধান করা কঠিন ছিল। কী প্রয়োজন ছিল, কী সরবরাহ করা হচ্ছিল এবং কী পরিবহন করা হচ্ছিল।জরুরি ভিত্তিতে সংগ্রহ ও বিতরণের প্রযুক্তি এবং ডেটা সিস্টেমগুলো সেকেলে ছিল। এগুলো ছিল পদ্ধতিগত ব্যর্থতা, যা এড়ানো যেত।

২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যে যুক্তরাজ্য সরকার এবং বিকেন্দ্রীভূত প্রশাসনগুলো কর্তৃক পিপিই, ভেন্টিলেটর এবং পরীক্ষার সরঞ্জাম বাবদ মোট ব্যয় ৪২ বিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি ছিল। যুক্তরাজ্য জুড়ে সরকারগুলোর কাছে এই মাত্রার জরুরি ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়া ছিল না।

করদাতাদের অর্থের অপচয় ছিল ব্যাপক। এটি এক কঠোর বাস্তবতা যে, পিপিই-এর জন্য ব্যয়িত প্রায় ১৫ বিলিয়ন পাউন্ডের মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ—অর্থাৎ প্রায় ১০ বিলিয়ন পাউন্ড—অপচয় হয়েছে এবং যুক্তরাজ্য জুড়ে সরকারগুলো এমন সব সরঞ্জামের জন্য আরও কয়েক কোটি পাউন্ড ব্যয় করেছে যা ব্যবহারই করা সম্ভব ছিল না। 

এই পরিসংখ্যানগুলো জরুরি ক্রয়ের জন্য যুক্তরাজ্যের প্রস্তুতি পদ্ধতিতে একটি মৌলিক পরিবর্তনের দাবি রাখে। যদি মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা যথাযথ পরিকল্পনা, তথ্য এবং ব্যবস্থা দিয়ে আরও ভালোভাবে সজ্জিত থাকতেন, তাহলে ক্রয়ের সিদ্ধান্তগুলো আরও সহজ, ন্যায্য এবং অনেক কম ব্যয়বহুল হতো – এবং সরঞ্জামগুলো যাদের প্রয়োজন তাদের কাছে আরও দ্রুত পৌঁছাতো।

জনগণকে অবশ্যই এই আস্থা রাখতে হবে যে, সরকার তাদের অর্থ যথাযথভাবে, ন্যায্যতার সাথে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যয় করছে। 

আমি দেখেছি যে, জরুরি অবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনআস্থাটি ক্রয় প্রক্রিয়ার ব্যর্থতার কারণে ক্ষুণ্ণ হয়েছে।

সরকার কর্তৃক সংগ্রহ করা এবং সম্মুখসারিতে সরবরাহ করা ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের (PPE) মান নিয়ে বেশ কিছু সুপ্রতিষ্ঠিত অভিযোগ রয়েছে। আমার মডিউল ৩-এর প্রতিবেদনে আমি ইতোমধ্যেই আলোচনা করেছি যে এটি স্বাস্থ্য খাতে কর্মরতদের কীভাবে প্রভাবিত করেছে, এবং এই শরৎকালে প্রকাশিতব্য আমার মডিউল ৬-এর প্রতিবেদনে আমি সমাজসেবা খাতের উপর এর প্রভাব পর্যালোচনা করব।

এই প্রতিক্রিয়ার একটি দিক স্বাভাবিকভাবেই এবং আমার মতে সঙ্গত কারণেই ব্যাপক জন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে: 'হাই প্রায়োরিটি লেন', যা 'ভিআইপি লেন' নামেও পরিচিত। 

সাহায্যের প্রস্তাবগুলো যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য মন্ত্রীদের তীব্র চাপের মুখে কর্মকর্তারা ‘উচ্চ অগ্রাধিকার লেন’ প্রতিষ্ঠা করেন। তবে, এটি ছিল অগ্রাধিকার নির্ধারণের একটি ভ্রান্ত প্রচেষ্টা। সংকট মোকাবেলার ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র সরকারের সাথে যোগাযোগের কারণে কিছু সরবরাহকারীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল।

‘হাই প্রায়োরিটি লেন’ যুক্তরাজ্য সরকারের জরুরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় অবিচারকে গেঁথে দিয়েছিল – যেখানে শত শত কোটি পাউন্ড জড়িত ছিল। এটি ক্রয় কর্মকর্তাদের অন্যথায় বিশাল ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে দিয়েছিল এবং মহামারীর সময়ে সরকার করদাতাদের অর্থ কীভাবে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সে বিষয়ে জনগণের আস্থাকে ক্ষুণ্ণ করেছিল। এটি স্থাপন করা উচিত ছিল না এবং এর পুনরাবৃত্তিও হওয়া উচিত নয়। 

আমি নির্দিষ্ট সরবরাহকারীদের চুক্তি প্রদানের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছি। এদের মধ্যে একটি হলো পিপিই মেডপ্রো লিমিটেড – যার বিরুদ্ধে একটি চলমান ফৌজদারি তদন্ত চলছে। ফৌজদারি বা দেওয়ানি দায় নির্ধারণ করা এই তদন্তের কাজ নয়। পিপিই মেডপ্রো লিমিটেডকে চুক্তি প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমার প্রাপ্ত তথ্য যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে – তবে তদন্তে কোনো প্রকার পক্ষপাতিত্ব এড়ানোর জন্য, যেকোনো আইনি কার্যক্রম সমাপ্ত হওয়ার পরেই তা প্রকাশ করা হবে।

তবে, এই প্রতিক্রিয়ার মধ্যে অনেক ইতিবাচক দিকও ছিল যা আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত নয়। 

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জনসাধারণ সাহায্যের জন্য উৎসাহের সাথে এগিয়ে এসেছিল।

যুক্তরাজ্যের হাতে দেশীয় জীবন বিজ্ঞান এবং উন্নত উৎপাদন খাতের উদ্ভাবনী শক্তি, দক্ষতা এবং এগিয়ে আসার সদিচ্ছা ছিল। পিপিই, ভেন্টিলেটর এবং পরীক্ষার সরঞ্জামের নকশা ও উৎপাদনে এর প্রমাণ মেলে—যার সবই যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরে সম্পন্ন হয়েছিল। উৎপাদকরা তাদের উৎপাদন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনে এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বজুড়ে সরবরাহ সংগ্রহের জন্য তাদের আন্তর্জাতিক সংযোগ ব্যবহার করে।

সেনাবাহিনী সংকট মোকাবেলার ক্ষেত্রে তাদের বিশেষজ্ঞ জ্ঞান এবং একটি অসাধারণ রসদ সরবরাহ অভিযান সংগঠনে তাদের দক্ষতা নিয়ে এগিয়ে আসে। 

যদিও পরিকল্পনার অভাবে স্বাস্থ্যকর্মী ও অন্যান্যদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পিপিই এবং অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব ঘটেছিল।পরবর্তী সংগ্রহ কার্যক্রমের একটি ইতিবাচক দিক ছিল যে, সংকটের চাহিদা অনুযায়ী গতি ও পরিমাণে অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হয়েছিল।

সরকারি ও বেসরকারি খাতের কার্যকর সহযোগিতা একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যে, ভবিষ্যৎ মহামারীর মোকাবিলায় সরকারের কেমন পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যুক্তরাজ্যের এই শক্তিগুলোর ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। ব্যবসা ও শিল্পখাতকে সম্পৃক্ত না করলে এবং পরবর্তী মহামারীর আগেই এ বিষয়ে একটি পরিকল্পনা নিশ্চিত না করলে, দেশটি কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে পারবে না। 

ক্রয় ও বিতরণ কর্মী বাহিনীকেও আরও বেশি দক্ষ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে – আমরা কেবল তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ বা সেনাবাহিনীর ওপর নির্ভরশীল থাকতে পারি না।

যুক্তরাজ্য আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খলের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তবে, এর সরবরাহকারী ভিত্তি একটি দেশেই—চীনে—অতিরিক্ত কেন্দ্রীভূত ছিল এবং পরিকল্পনা প্রণয়নের সময় দেশীয় উৎপাদকদের সক্ষমতা যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। এর ফলে যুক্তরাজ্য উভয় ক্ষেত্রেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। 

দেশ অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে পারে না। আমি আজ ১১টি সুপারিশ পেশ করছি, যা আমার পূর্ববর্তী সুপারিশগুলোর সাথে সমন্বিতভাবে ও সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হলে, যুক্তরাজ্য সরকার এবং বিকেন্দ্রীভূত প্রশাসনগুলো পরবর্তী মহামারীর জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত থাকবে। 

আমার সুপারিশগুলোর পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশিত প্রতিবেদনে পাওয়া যাবে। এগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো, জরুরি অবস্থার চাপে সরকারি সম্পদ কীভাবে ব্যয় করা হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সর্বোত্তম অবস্থানে রাখা এবং বৃহত্তর শিল্প স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করা।

তথ্য-নির্ভর সংকট মোকাবিলা ব্যবস্থাই আমাদের চালিকাশক্তি হতে হবে। আমি যুক্তরাজ্য সরকার এবং বিকেন্দ্রীভূত প্রশাসনগুলোর জন্য একটি উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি—তিন বছরের মধ্যে—স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জাম সংগ্রহ ও বিতরণের জন্য তাদের ব্যবস্থাগুলোকে ডিজিটাল করার। সংগ্রহ ও বিতরণ সংক্রান্ত তথ্যের রিয়েল-টাইম সংগ্রহ, আদান-প্রদান এবং বিশ্লেষণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের গুণমান ও কার্যকারিতাকে মৌলিকভাবে উন্নত করবে। 

অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জামকে একটি কৌশলগত জাতীয় সম্পদ হিসেবে গণ্য করা উচিত। অভ্যন্তরীণ শিল্প সক্ষমতা জোরদার করার এবং যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খল যেন শক্তিশালী হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য একটি কর্মসূচি থাকা উচিত। বৈদেশিক সরবরাহের উৎসকে বৈচিত্র্যময় করতে নতুন বাণিজ্যিক জোট প্রতিষ্ঠা করা উচিত। 

যুক্তরাজ্য সরকার এবং বিকেন্দ্রীভূত প্রশাসনগুলোকে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে যা যুক্তরাজ্যেই স্বাস্থ্যসেবা সরঞ্জামের উন্নত উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ, গবেষণা ও উন্নয়নকে উৎসাহিত করে।

আমি যে পরিবর্তনগুলোর সুপারিশ করছি, তা যুক্তরাজ্যের স্থিতিস্থাপকতা ও প্রস্তুতির জন্য একটি বিনিয়োগ। এটি একটি সামান্য মূল্য, যা নিশ্চিত করবে যে, পরবর্তী সময়ে জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ব্যয় সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী থাকতে পারবে এবং অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্য সরঞ্জাম সঠিক সময়ে যাদের প্রয়োজন তাদের কাছে পৌঁছাবে। 

ভবিষ্যতের কোনো মহামারীর ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সরঞ্জামের কার্যকর সংগ্রহ ও বিতরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। একটি উন্নততর জরুরি সংগ্রহ ব্যবস্থা অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী সংগ্রহের খরচ কমাবে এবং জীবন বাঁচাবে।